খাজাঞ্চিখানা

ফজলে রেজওয়ান করিম

Nameless folder(নামহীন ফোল্ডার) May 4, 2010

Filed under: Imp Knowledge,Uncategorized — rezowan @ 4:28 am
নামহীন ফোল্ডার তৈরীর জন্য New Folder- কে select করে F2 চাপুন। এবার Alt চেপে ধরে 255 অথবা 0160 টাইপ করে Enter press করুন। ব্যস হয়ে গেল নামহীন ফোল্ডার।
 

উইলিয়াম হার্ভে May 4, 2010

Filed under: উইলিয়াম হার্ভে — rezowan @ 1:56 am

চিকিৎসাশাস্ত্র, মানুষের দেহ আর রোগ নিয়ে যারা গবেষণা করে গেছেন তাদের মধ্যে উইলিয়াম হার্ভে অন্যতম। আজ থেকে প্রায় চারশ’ বছর আগে মানুষের দেহের ভেতর রক্ত চলাচলের প্রক্রিয়াটি তিনিই প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন। ১৫৭৮ সালের ১ এপ্রিল লন্ডনের ‘ফোকস্টনে’ উইলিয়াম জন্মগ্রহণ করেন। বাবা টমাস হার্ভে ছিলেন ওই শহরের মেয়র ও ধনী ব্যবসায়ী। কিংস স্কুলে তার শিক্ষাজীবনের শুরু। তারপর ১৫ বছর বয়সে তিনি ক্যামব্রিজে পড়তে চলে আসেন। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি স্নাতক শেষ করেন। এরপর পাদুয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ডক্টর অব মেডিসিন ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে আসেন হার্ভে। তার ইচ্ছা ডাক্তারি, গবেষণা ও অধ্যাপনা তিনটিই একসঙ্গে করার। ১৬০৭ সালে ক্যামব্রিজের চিকিৎসাবিদ্যার কলেজে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন হার্ভে। এরপর বার্থোলোসিউ হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দেন। এ সময় তিনি মানুষের শরীরের একটি বিশেষ অংশ হৃৎপিণ্ড ও তার ক্রিয়া নিয়ে খুব ভাবনাচিন্তা শুরু করেন। আর হৃৎপিণ্ড নিয়ে ভাবতে ভাবতেই রক্ত চলাচলের ব্যাপারটা নিয়েও ভাবতে শুরু করেন তিনি। এর আগে রক্ত চলাচল সম্পর্কে কারো সঠিক ধারণা ছিল না। এবার হার্ভে রক্ত চলাচল নিয়ে গবেষণা করতে শুরু করলেন। নয় বছরের গভীর গবেষণার পর অবশেষে তিনি প্রমাণ করলেন আগের সব ধারণা ভুল। তিনি বের করলেন শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তশিরা পথে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনির মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়। রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যাওয়া মানে মৃত্যু। গবেষণায় সফল হয়েও তিনি তা প্রকাশ করলেন না। তিনি আলোচনার মাধ্যমে তার মতামত সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করলেন। কিন্তু কেউ তার কথা বিশ্বাস করলেন না। এ সময় তিনি রাজা প্রথম চার্লসের ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি রাজাকে তার আবিষ্কারের কথা বললেন। রাজা খুশি হয়ে হার্ভের বই বের করার সব ব্যবস্থা করে দিলেন। হার্ভে ১৬২৮ সালে ৭২ পৃষ্ঠার বই বের করলেন এবং তা রাজা প্রথম চার্লসের নামে উৎসর্গ করলেন। বই প্রকাশের পর বিরূপ সমালোচনা হলেও কেউ তার গবেষণাকে মিথ্যা প্রমাণ করতে পারেননি। চিকিৎসকরাও আন্তরিকতার সঙ্গে বইটি গ্রহণ করেছিলেন। ১৬৫৪ সালে হার্ভেকে রয়াল সোসাইটির সভাপতি পদে মনোনীত করা হয় কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি তা গ্রহণ করতে পারেননি। ১৬৫৭ সালে প্রায় ৮০ বছর বয়সে হার্ভের মৃত্যু হয়। চিকিৎসাশাস্ত্র ও শরীরবিদ্যা তার কাছে চিরদিন ঋণী হয়ে থাকবে।
প্রীতম সাহা

 

নীলকণ্ঠ বসন্ত বৈরী May 1, 2010

Filed under: নীলকণ্ঠ বসন্ত বৈরী — rezowan @ 1:20 pm

এদের মাথা নীল আর সারা দেহ সবুজ। বসন্তকালে এই ণীলকন্ঠিদের বেশী দেখা যায় তাই এদের নাম নীলকণ্ঠ বসন্ত বৈরী।

 

নীলকণ্ঠ May 1, 2010

Filed under: নীলকন্ঠি(Indian Roller) — rezowan @ 1:12 pm

 নীলকন্ঠ, নীলকন্ঠি  আকারে প্রায় ৩১সে.মি মেয়ে পাখি আর ছেলে পাখি দেখতে প্রায় একই রকম বাদামী পিঠ,ডানায় গাঢ় নীল আর আকাশি নীলের খেলা ,লেজের দিকটাতেও তেমনি মাথা,ঘাড়,গলা আর বুক আকাশনীল,চোখ,ঠোঁট কালো আর পা দু’খানা হালকা হলুদ।

ভারতীয় উপমহাদেশের অগভীর বন বসবাসের জন্য পছন্দ এদেরপ্রধানত পোকা-মাকড়ই প্রধান খাবার মেন্যু পাশাপাশি ফলমূলও খায়প্রজনন সময় -মার্চ থেকে মেডিম সংখ্যা -৩-৪ টি

নীলকন্ঠিরা খাক … কাক…কাক স্বরে ডাকে
 

ক্যাপ্টেন জেমস কুক May 1, 2010

Filed under: জেমস কুক — rezowan @ 11:41 am

ইংলিশ অভিযাত্রী জেমস কুক (১৭২৮-১৭৭৯) কয়লা বহনকারী জাহাজে চড়ে জাহাজ চালনা শিখেছেন। ১৭৬৮ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণাকাজে কমান্ডার নিযুক্ত হন। তিনি প্রথম নিউজিল্যান্ড উপকূলের ম্যাপ তৈরি করেন। তাঁর এ যাত্রায় ভয়াবহ স্কার্ভি থেকে ক্রুদের সাফল্যজনকভাবে বাঁচানোর জন্য তিনি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। ১৭৭২ থেকে ১৭৭৫ সালের ভেতর তিনি প্রশান্ত মহাসাগরে আরো অভিযান চালিয়েছেন, আবিষ্কার করেছেন বেশ কিছু জায়গা এবং ফিরে এসেছেন নতুন সামুদ্রিক মানচিত্র নিয়ে।

 

মাছ May 1, 2010

Filed under: মাছ — rezowan @ 11:34 am

মাছ মেরুদণ্ডী জলজ প্রাণী। উষ্ণ রক্তের এ প্রাণীটির শরীর সাধারণত আঁশ দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে। সাঁতার কাটার জন্য এদের দুই বা তারচেয়ে বেশি জোড়া পাখা রয়েছে। সাধারণ জলাশয় থেকে শুরু করে সাগরের গভীর পর্যন্ত মাছের বসবাস। পুরো পৃথিবীতেই মাছ খাবার হিসেবে জনপ্রিয়। এ পর্যন্ত পৃথিবীতে প্রায় ৩১ হাজার পাঁচ শ প্রজাতির মাছের দেখা পাওয়া গেলেও এ সংখ্যাটা আরো বিশাল বলেই সবার ধারণা।

 

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি April 30, 2010

Filed under: লিওনার্দো দা ভিঞ্চি — rezowan @ 2:16 pm

লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ( ইতালীয় Leonardo da Vinci লেওনার্দো দা ভিঞ্চি, পূর্ণ নাম Leonardo di ser Piero da Vinci লেওনার্দো দা সের পিয়েরো দা ভিঞ্চি (এপ্রিল ১৫, ১৪৫২ -মে ২ ১৫১৯)।
তিনি ছিলেন একজন সত্যিকারের বহুমুখী প্রতিভা: ভাস্কর, স্থপতি, উদ্ভাবক, গণিতবিদ, লেখক, সংগীতজ্ঞ, শারীরবিজ্ঞানী, প্রকৌশলী, ভূতাত্ত্বিক, ভ্রূণবিদ, উদ্ভিদবিজ্ঞানী। উড়ন্ত যানের নকশা এঁকেছিলেন, আবিষ্কার করেছিলেন জলগতিবিদ্যার সূত্র, আন্দাজ করেছিলেন টেকটোনিক প্লেটের ধারণা, বের করেছিলেন সৌরশক্তি কেন্দ্রীভূত করার কৌশল, উদ্ভাবন করেছিলেন অভিনব সব সমরাস্ত্র, পর্যবেক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করেছিলেন রক্তের সঞ্চালন, দৃষ্টিশক্তির রহস্য ও হাড়ের সংস্থান।
মিকেলেঞ্জেলোর রেনেসাঁর অন্যতম প্রতিক লেওনার্দো দা ভিঞ্চি। তিনি ইতালীয় রেনেসাসেঁর কালজয়ী চিত্রশিল্পী। লেওনার্দো দা ভিঞ্চির সম্পর্কে না জানলে তার মহিমা আন্দাজ করা যাবে না। রেনেসাঁ সাংস্কৃতিক আন্দোলনটি জেগে উঠেছিল চতুর্দশ শতকের ফ্লোরেন্সে; এর পর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে পুরো ইয়োরোপে। এ আন্দোলন ইয়োরোপকে টেনে বের করে আনে এর মধ্যযুগীয় ধর্মতন্ত্রের অন্ধকার থেকে।
লিওনার্দোর জন্ম ফ্লোরেন্সে, ১৪৫২ সালের ১৫ এপ্রিল। মেসের পিয়েরো ফ্রুয়োসিনো দি আন্তোনিয়ো দা ভিঞ্চি নামে আদালতকর্মী বাবা আর কাতেরিনা নামে কিষানি মায়ের তিনি ছিলেন অবৈধ সন্তান। ২৪ বছর বয়সে ফ্লোরেন্সের এক আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে সমকামের অভিযোগ ওঠে। শৈশবের মাত্র দুটি স্মৃতি উদ্ধার করতে পেরেছিলেন লেওনার্দো। একবার তিনি শুয়ে ছিলেন দোলনায়। আকাশ থেকে হঠাৎ একটি চিল নেমে আসে দোলনার ওপর। পাক খেতে খেতে চিলটির লেজের পালক ছুঁয়ে যায় তাঁর মুখ। এই ঘটনাটির মধ্যে তিনি পেয়েছিলেন অমঙ্গলের বার্তা। কিন্তু সমস্ত অমঙ্গল আর দুর্দশা ঝেড়ে ফেলে মানুষটি হয়ে ওঠেন মানবসভ্যতার অন্যতম নির্মাতা।
১৪৬৬ সালে লিওনার্দোর বয়স যখন ১৪, তখন তিনি ভ্যারিচ্চিও (Verrocchio)-র কাছে শিক্ষানবীশ হিসেবে যোগ দেন। ভ্যারিচ্চিও-র পুরো নাম “আন্দ্রে দাই সায়ন”, তিনি ছলেন সে সময়ের একজন সফল চিত্রকর। ভ্যারিচ্চিও-র কর্মস্থলে তত্কালীন গুণী মানুষদের সমাগম হত। আরও নামকরা যেসব শিল্পী ভ্যারিচ্চিও-র তত্ত্বাবধানে কাজ করত বা তার ওয়ার্কশপে যাতায়াত করত, তাদের মধে অন্যতম হলেন গিরল্যান্ডিও (Ghirlandaio), পেরুগন (Perugino), লরেঞ্জা দাই ক্রিডি (Lorenzo di Credi)।

এখানে কাজ করে লিওনার্দো হাতে কলমে প্রচুর কারিগরি জ্ঞানার্জন করেছিলেন। তার সুযোগ হয়েছিল কারুকার্য, রসায়ন, ধাতুবিদ্যা, ধাতু দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানানো, প্রাস্টার কাস্টিং, চামড়া দিয়ে বিভিন্ন জিনিস বানানো, গতিবিদ্যা এবং কাঠের কাজ ইত্যাদি শেখার। তিনি আরও শিখেছিলেন দৃষ্টিনন্দন নকশাকরা, ছবি আঁকা, ভাস্কর্য তৈরি এবং মডেলিং। ভ্যারিচ্চিও-র ওয়ার্কশপে বেশিরভাগ কাজ করত তার অধঃস্তন কর্মচারীরা। ভাসারীর বর্ননানুসারে লিওনার্দো ভ্যারিচ্চিও কে তার “ব্যাপ্টিজম অব ক্রাইস্ট” ছবিটিতে সাহায্য করেছিলেন। ছবিটিতে দেখানো হয়েছে একটি দেবদূত যীশুর লাঠি ধরে আছে। ছবিটি ভ্যারিচ্চিও কে এতটাই অভিভূত করেছিল যে তিনি নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আর কখনো তুলিই ধরবেন না, ছবিও আঁকবেন না। তবে খুব সম্ভবত ভাসারি ঘটনাটি অতিরঞ্জিত করেছিলেন। সূক্ষ্ণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এ ছবিটির যে সব বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা হল- এটি বিশেষ পদ্ধতিতে তৈল রং দিয়ে আঁকা। ভ্যারিচ্চিও বেশ কয়েকটি কাজে লিওনার্দো মডেল হিসেবে ছিলেন। যেমন- “ডেভিড” চরিত্রে “দি বার্জেলো”( Bargello) নামক ব্রোঞ্জ মূর্তিতে, “আর্চঅ্যাঞ্জেল মাইকেল” হিসেবে “টোবিস এন্ড অ্যাঞ্জেল“(Tobias and the Angel) এ।


১৪৭২ সালে ২০ বছর বয়সে লিওনার্দো “গির অব সেন্ট লুক” এর পরিচালক হবার য্যোগ্যতা অর্জন করেন। এটি চিকিত্সক এবং চিত্রকরদের একটি সংঘ্য। কিন্তু তার বাবা তাকে নিজেদের ওয়ার্কশপের কাজে লাগিয়ে দেন। ভ্যারিচ্চিওর সাথে চুক্তি অনুসারে তিনি তার সাথেও কাজ চালিয়ে যান। লিওনার্দোর নিজের হাতে তারিখ দেওয়া সবচেয়ে পুরানো ছবি হল আর্নোভ্যালি, তারিখটি হল ৫ই আগস্ট ১৪৭৩।
পেশাগত জীবন(১৪৭৬-১৫১৩)
আদালতের নথি থেকে দেখা যায় একবার লিওনার্দো সহ আরও ৩ জন যুবককে সমকামীতার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছিল এবং তারা বেকসুর খালাসও পেয়েছিল। এরপর ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত তিনি কি করেছিলেন, কোথায় ছিলেন তার কিছুই জানা যায়নি। ধারনা করা হয় পরবর্তিতে ১৪৭৮ থেকে ১৪৮১ পর্যন্ত লিওনার্দো তার নিজের ওয়ার্কশপে কাজ করেছে। তিনি ১৪৭৮ সালে চ্যাপেল অব সেন্ট বার্নার্ড ও “অ্যাডোরেশন অব দি ম্যাগি” এবং ১৪৮১ সালে “মঙ্ক অব সান ডোনাটো এ স্কাপিটো” আঁকার দায়িত্ব পান।


ভাসারির মতে লিওনার্দো সে সময়ের সেরা সংগীতজ্ঞ ছিলেন। ১৪৮২ সালে তিনি ঘোড়ার মাথার আকৃতির একটি বীণা তৈরি করেছিলেন। লরেঞ্জো দ্য মেডিসি(Lorenzo de’ Medici) লিওনার্দো-র হাতে এই বীনা উপহার স্বরূপ মিলানের ডিউক লুদোভিকো এল মোরো(Ludovico il Moro) এর কাছে পাঠিয়েছিলেন শান্তিচুক্তি নিশ্চিত করার জন্য। এ সময় লিওনার্দো ডিউকের কাছে একটি চিঠি লিখেন, যাতে ছিল তার উদ্ভাবিত বিভন্ন চমকপ্রদ যন্ত্রের বর্ননা। তিনি এ চিঠিতে নিজের চিত্রশিল্পী পরিচয়ের কথাও লিখেছিলেন।


লিওনার্দো ১৪৮২ থেকে ১৪৯৯ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মিলানে কাজ করেছেন। এখানে তিনি ভার্জিন অব দ্যা রকস্ এবং দ্যা লাস্ট সাপার ছবি দুটি আঁকার দায়িত্ব পান। ১৪৯৩ থেকে ১৪৯৫ এর মধ্যে তার অধিনস্তদের মাঝে ক্যাটরিনা নামে এক মহিলার নাম পাওয়া যায়। ১৪৯৫ সালে এ মহিলাটি মারা যান। সে সময় তার শেষকৃত্যের খরচ দেখে ধারনা করা হয় তিনি ছিলেন লিওনার্দোর মা।


লেওনার্দো সম্পর্কে সারা বিশ্বে আলোচনার শেষ নেই। চিত্রাকররা তার নানা আলোচনা সমালোচনায় মুখর থাকে। তবুও এখনো পুরোপুরি তাকে জানতে পারেনি অনেকে। অনেকটা রহস্যময় থাকা লেওনার্দো বীণা বাজানোয় পারদর্শী ছিলেন ভিঞ্চি। কেউ কেউ মনে করেন, ভিঞ্চি আসলে ‘মোনা লিসা’ এঁকেছেন নিজের আত্মপ্রতিকৃতির আদলে। ভিঞ্চি সম্ভবত সবচেয়ে বিখ্যাত বাঁহাতি। নোটবইয়ে সবকিছু লিখতেন উল্টো করে। কারও কারও অনুমান, এসব তিনি করেছেন তাঁর আবিষ্কার গোপন রাখার স্বার্থে। কেউ বলেন, চার্চের সঙ্গে বিরোধ বাধবে, এই আশঙ্কায়। রাতদুপুরে কবরখানায় ঢুকে লাশ কেটে দেখতেন। লিখে ও এঁকে রাখতেন চোখের গঠন, হাড়ের বিন্যাস, ভ্রূণের অবস্থা, রক্তসঞ্চালনের উপায়। আর খুঁজতেন, আত্মা কোথাও থাকে কি না।


বিচিত্র কৌতূহল ও মুদ্রাদোষ এবং প্রাণী-মানুষ-প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের কিম্ভূত কাজকারবারের জন্য লেওনার্দোর চারপাশ ঘিরে আছে রহস্যের ঘন কুয়াশায়। কিন্তু বিখ্যাত মানুষটির আসল কীর্তির কথা তো বলাই হয়নি এখনো। লেওনার্দো দা ভিঞ্চি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম চিত্রকরদের একজন। নোটবইয়ের এক জায়গায় লেওনার্দো লিখেছেন, ‘ছবি আঁকা কখনো শেষ হয় না, আঁকা একসময় ছেড়ে দিতে হয়।’ তাঁর এ কথা ভিন্নতর অর্থে ফিরে এসেছে তাঁর নিজের জীবনে।


তাঁর বিখ্যাত মুদ্রাদোষ ছিল ছবি অসমাপ্ত রেখে দেওয়া। বহু চিত্রকর্ম তিনি আঁকতে শুরু করেছেন, কিন্তু শেষ করেননি। তাঁর সম্পূর্ণ চিত্রকর্মের সংখ্যা মাত্র ১৫টির মতো। এই সামান্য কয়টি চিত্রকর্মই তাঁকে আকাশচুম্বী খ্যাতি দিয়েছে।


আনুমানিক ১৪৬৯ সালে রেনেসাঁসের অপর বিশিষ্ট শিল্পী ও ভাস্কর আন্দ্রেয়া ভেরোচ্চিয়োর কাছে ছবি আঁকায় ভিঞ্চির শিক্ষানবিশ জীবনের সূচনা। এই শিক্ষাগুরুর অধীনেই তিনি ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষত চিত্রাঙ্কনে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। ১৪৭২ সালে তিনি চিত্রশিল্পীদের গীল্ডে ভর্তি হন এবং এই সময় থেকেই তাঁর চিত্রকর জীবনের সূচনা হয়।


বিশ্বশ্রেষ্ঠ চিত্রকর্মের মধ্যে আছে তাঁর ‘দ্য লাস্ট সাপার’ আর ‘মোনা লিসা’। ‘মোনা লিসা’র হাসি সবার কাছে চির-রহস্যের উত্স। ‘ভিত্রুভিয়ান ম্যান’ এমন এক সাংস্কৃতিক আইকন, যা ইয়োরো থেকে টি-শার্টে ফিরে ফিরে আসছে নানা নতুন চেহারায়। ড্যান ব্রাউন যে ‘দা ভিঞ্চি কোড’ বইটি লিখে বছর কয়েক আগে দুনিয়া মাতালেন, তারও কেন্দ্রে লেওনার্দোর রহস্যমাখা চিত্রকর্ম। লেওনার্দো এখনো এমন প্রবলভাবে বারবার ফিরে আসছেন, যেন তিনি এ সময়েরই শিল্পী। লেওনার্দো দা ভিঞ্চির মতো মানুষের একবার জন্ম হলে আর মৃত্যু হয় না। বিবরণ দিতে গিয়েই তৈরি হয়েছিল ‘রেনেসাঁ-মানব’ শব্দটি। তবু রেনেসাঁর প্রতীক।
এই রেনেসা মানব ২ মে ১৫১৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
মূল লেখাঃ এস এ অরণ্যের ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী লেওনার্দো দা ভিঞ্চি

 

অর্জুন April 26, 2010

Filed under: অর্জুন,ভেষজ — rezowan @ 2:04 am

  দেশজ গাছগুলোর মধ্যে অর্জুনের উপকারের কথা বলে শেষ করা যাবে না। কমব্রিটেসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এ গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম

Terminalia arjuna , সংস্কৃত নাম ককুভ। বিরাটাকৃতির পত্রমোচী বৃক্ষ। কা- মসৃণ, মৃদু বাদামি কিংবা সবুজাভ ধূসর। পাতা সরল, ৩-৬ ইঞ্চি লম্বা, ডিম্বাকৃতি, চামড়ার মতো, প্রায় স্থূলকোণী, মসৃণ এবং বিন্যাসে বিপ্রতীপ। পুষ্পমঞ্জরী উৎক্ষিপ্ত, বহু পৌষ্পিক, প্রান্তিক, খাটো এবং অনিয়ত। ফুল অতি ক্ষুদ্র, অনাকর্ষী, মৃদু হলুদ রঙের, খাটো এবং ঘনবদ্ধ। বৃত্যংশ ৫টি, প্রায় মসৃণ। ফল ডিম্বাকৃতি, কাঠের মতো কঠিন, শুষ্ক এবং ৫টি শিরবিশিষ্ট। শীতের শেষেই সাধারণত গাছ নিষ্পত্র হয়ে যায় এবং বসন্তে নতুন পাতায় গাছ ভরে যায়। নতুন পাতা গজানোর সময়েই গাছের শাখাগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে ভরে ওঠে।
অর্জুন উপকারী ভেষজ। যাদের বুক ধড়ফড় করে অথচ হাই ব্লাডপ্রেসার নেই, তাদের জন্য অর্জুন বাকল কাঁচা
হলে ১০-১২ গ্রাম আর শুকনো হলে ৫-৬ গ্রাম একটু থেঁতো করে, ১২৫ মিলিলিটার দুধ আর আধালিটার পানি একসঙ্গে সিদ্ধ করে, আন্দাজ ১২৫ মিলিলিটার থাকতে নামিয়ে, ছেঁকে বিকালের দিকে খেতে হবে। তবে গরম অবস্থায় সিদ্ধ দুধটা ছেঁকে রাখা ভালো। এর দ্বারা বুক ধড়ফড়ানি অবশ্যই কমবে। তবে পেটে বায়ু না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে। অর্জুনের বাকল এ পদ্ধতিতে সেবন করলে লো ব্লাডপ্রেসারও স্বাভাবিক হবে। প্রাচীন বৈদ্যরা বাকলের গুঁড়ো, বাসক পাতার রসে ভিজিয়ে সেটা কমপক্ষে ৭ বার শুকিয়ে রেখে দিতেন। দমকা কাশির রোগীকে এর সঙ্গে একটু ঘি ও মধু বা মিছরির গুঁড়ো মিশিয়ে চাটতে দিতেন। ৪-৫ গ্রাম অর্জুন বাকলের ক্কাথে ছাগলের দুধ মিশিয়ে সেবন করালে রক্ত আমাশয় উপশম হয়। জেনে রাখা ভালো যে অর্জুন গাছের সব অংশই কষায় রস(

Astringent), এজন্য অর্জুন ক্কাথে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। তবে দুধে সিদ্ধ অর্জুন বাকলের ব্যবহারে কোষ্ঠকাঠিন্য হয় না। শরীরের কোথাও মচকে গেলে কিংবা হাড়ে চিড় খেলে অর্জুন বাকল ও রসুন বেটে অল্প গরম করে ওখানে লাগিয়ে বেঁধে রাখলে ওটা সেরে যায়। তবে সেই সঙ্গে অর্জুন বাকলের চূর্ণ ২-৩ গ্রাম মাত্রায় আধাচামচ ঘি ও সিকি কাপ দুধ মিশিয়ে অথবা শুধু দুধ মিশিয়ে খেলে আরো ভালো হয়। অর্জুন ফলের শুকনো টুকরো কলকে করে তামাকের মতো ধোঁয়া টানলে হাঁপানির টান কমে যায়। অর্জুনের বাকল মিহি করে গুঁড়ো করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে মুখের মেচতায় লাগালে মেচতার দাগগুলো চলে যায়। শরীরের কোথাও ফোড়া হলে অর্জুনের পাতা দিয়ে ঢাকা দিলে ফোড়া ফেটে যায়, তারপর তাতে পাতার রস দিলে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। এত উপকারী একটি গাছ অর্জুন অথচ আমরা কত নিষ্ঠুর ! বাকল সংগ্রহের জন্য অর্জুনের কচি চারাগাছগুলোকেও রেহাই দেই না আমরা। পার্ক, বাগান কিংবা রাস্তার ধারের অর্জুন গাছ সব জায়গার একই চিত্র। 
 

টুনা মাছ April 21, 2010

Filed under: টুনা — rezowan @ 2:55 pm

নীল পাখনা টুনা মাছের ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোতে বেশ জনপ্রিয়তা থাকলেও এই মাছটির ৭৫ ভাগ গ্রহণ করে জাপান৷ জাপানে টুনা মাছ একটি জনপ্রিয় মাছ৷ আটলান্টিকে টুনা শিকার করে সাধারণত ভূ-মধ্য সাগরের তীরবর্তী দেশগুলো৷ তবে এর বেশিরভাগ রফতানি হয় এশিয়ায়, বিশেষ করে জাপানে৷ জাপানে টুনা মাছের দারুণ কদর৷

সমুদ্রের ফিন টুনা বা নীল পাখনা টুনা শিকার নিষিদ্ধের ঘোষণা করেছে ইন্টারন্যাশনাল কমিশন ফর দ্য কনজারভেশন অব আটলান্টিক টুনা বা আইসিসিএটি৷ তারা হুশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অবাধে শিকার করতে করতে এ প্রজাতির টুনা বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে৷ এখন মাত্র ১৫ শতাংশ টিকে আছে এই টুনা৷ শিকার বন্ধ না করলে অদূর-ভবিষ্যতে এই সুস্বাদু প্রজাতির মাছটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে৷ ফিন টুনাকে বাঁচাতে হলে এর শিকার নিষিদ্ধ করা ছাড়া কোন উপায় নেই৷

 

মণিরাজ April 21, 2010

Filed under: ফুল,মণিরাজ — rezowan @ 8:16 am
বাংলায় মণিরাজ বলা হলেও এটির বৈজ্ঞানিক নাম ফাইকাস সাধারণত শুষ্ক মণ্ডলীয় এলাকার উদ্ভিদ এটি গাছ থেকে ফুল বের হতে সময় লাগে ১০ থেকে ১২ বছর তবে একটি গাছ একবার ফুল দিয়েই মারা যায় ওষধি গুণ সমৃদ্ধ এ ফুলের রেণুতে রয়েছে তীব্র ঘ্রাণ
  
ছবি : জাহাঙ্গীর হোসেন
 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.