খাজাঞ্চিখানা

ফজলে রেজওয়ান করিম

ক্লিনাক্যানথাস November 22, 2009

Filed under: ক্লিনাক্যানথাস,ভেষজ — rezowan @ 2:28 am
এই লতানো গুল্ম দক্ষিণ চীন ও ইন্দো-মালয়েশিয়া উপদ্বীপে বেশি দেখা যায়। থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামেও এটি জন্মে থাকে। গুল্ম আট ফুট উঁচু হতে পারে। এর নরম ডালপালা অন্য গাছের ওপরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। পাতা সরল ও বিপরীত, বর্ষার ফলকের মতো লম্বাকৃতি, ১০ ইঞ্চি লম্বা হতে পারে। পুষ্পবিন্যাস গাছের আগায় দেখা যায় এবং বেশ ঘন। ফুলের রং ফিকে লাল ও সবুজ, বৃত্তি পাঁচটি, পাপড়ি ওপর দিকে দুই ভাগে বিভক্ত। পুংকেশর দুটি। ফল ক্যাপসুল। এই লতানো গুল্মের প্রজাতির নাম হচ্ছে Clinacanthus nutans। পরিবার Acanthaceae বা বাসক পরিবার। ইংরেজী নাম Snake plant। এর পাতার রস পোড়া ঘা ও কীটপতঙ্গের কামড়ে ব্যবহূত হয়। এর রাসায়নিক পদার্থ এন-বুটানল প্রদাহজনিত রোগে বেশ কার্যকর। বিশেষ করে, হারপিজ সিমপ্লেক্স রোগে উপকারী। অনেক হাসপাতালে এর ব্যবহার প্রচলিত আছে।
ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে এর কচি শাক খাওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে। অ্যাকজিমা রোগে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
আমাদের দেশে এই পরিবারের বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভেষজ গাছগাছালি জন্মে থাকে। যেমন—কালোমেঘ, বাসক, কাঁটা ঝুঁটি ও কুলেখারা।
 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.