খাজাঞ্চিখানা

ফজলে রেজওয়ান করিম

রসুন April 20, 2010

Filed under: ভেষজ,রসুন,শস্য — rezowan @ 2:51 am

 রান্নার উপকরন হিসেবে রসুনের ব্যবহার আবহমান কাল থেকেই। শুধু রান্নায় স্বাদের তারতম্য আনার জন্য নয়, রসুনের পুষ্টিগুণও রসুনকে পৌঁছে দিয়েছে উপাদেয় মসলার তালিকায়। তাই রান্নার অনুষঙ্গের পাশাপাশি রসুন(Garlic) স্বাস্থ্য ভাল রাখার মন্ত্র হিসেবেও কাজ করছে।
রসুনে রয়েছে ময়শ্চার, প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেল ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট। ভিটামিন ও মিনারেলের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, থিয়ামিন, রিবোফ্লোভিন, ভিটামিন সি। এছাড়া আয়োডিন, সালফার ও ক্লোরিনও রয়েছে অল্প পরিমানে।
০ রসুন ক্ষুধা মন্দা তৈরী করে।
০ অ্যাজমা, কানে কম শোনা প্রভৃতি থেকে সুরক্ষা করে রসুন।
০ রসুন ফুসফুস, ব্রঙ্কিয়াল টিউব, সাইনাসের গহ্বরে মিউকাস জমতে দেয়না।
০ টিউবার কিউলোসিস, নিউমোনিয়া, হুপিং কাশির মতো অসুখে রসুন উপকারী।
০ রসুন ঘা, আলসার সহজে সারায়।
০ হজমে গোলমাল যেমন আমাশয় ও কৃমির সমস্যাতেও এটি উপকারী।
০ ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করতেও রসুন উপযোগী।
০ রক্ত সঞ্চালন সঠিক রেখে শরীরে টক্সিন কমায়।
০ ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবেও রসুনের সুনাম রয়েছে।

 রসুনের অপকারীতা
রসুন বেশী খেলে অনেক সময় মাইগ্রেনের সমস্যা দেখা দেয়।
০ রসুন থেকে অ্যালার্জি হতে পারে।
লক্ষ্য রাখুন
০ রসুন নরম হয়ে গেলে বা সবুজ রঙ দেখা দিলে সেই রসুন কিনবেন না। কারণ এসব রসুনের কার্যগুন নষ্ট হয়ে যায়। কেনার সময় মাঝারি আকারের রসুন কিনুন।
০ বন্ধ পাত্রে না রেখে খোলা পাত্রে রসুন রাখুন। ভুলেও রেফ্রিজারেটরে রসুন রাখবেন না। এতে করে রসুন নরম হয়ে যাবে।
০ কাঁচা রসুন স্বাস্থ্যকর নয়। ভাজার জন্য বা কারি পেস্টের জন্য রসুন ব্যবহার করা হয়।

 

টালি পাম December 21, 2009

Filed under: পাম,শস্য — rezowan @ 11:57 pm

টালি পাম গাছটি দেখতে তাল গাছের মতো। একে ইংরেজী নাম Arecaceae বা Palmae বৈজ্ঞানিক নাম কোরিফা টালিরিয়া রক্সব (Corypha taliera)। এ গাছের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি জীবনে একবারই ফুল-ফল দেয়। এ জন্য ৫০ বছরের কাছাকাছি সময় নেয়। ফুল থেকে হবে ফল। ফল থেকে বীজ। তারপর মারা যায় গাছটি।

ঢাকা ইউনিভার্সিটির ফুলার রোডে বৃটিশ কাউন্সিল ভবনের উল্টো দিকে ইউনিভার্সিটির প্রোভিসির বাসভবন। সেখানে রয়েছে নিঃসঙ্গ একটি টালি পাম বৃক্ষ, এ পৃথিবীতে যার কোনো সঙ্গী নেই। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে টালি গাছটির বয়স ৫০ বছরের কাছাকাছি। সে হিসেবে কিছুদিনের মধ্যে গাছটি ফুলে ভরে উঠবে। আর তখনই বীজ সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা যাবে হারিয়ে যেতে বসা এ প্রজাতিটি। গাছটি জীবনে একবারই ফুল দেয় এবং এরপরই মারা যায়।


টিসু কালচারের মাধ্যমেও গাছটি বিলুপ্তির দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে ধারণা করা হতো। বাংলাদেশের উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণা করে এমন দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, এ প্রজাতিটির টিসু কালচার হয় না।
কোরিফা টালিরিয়া ভারত উপমহাদেশের স্থানীয় প্রজাতি। আগে শ্রীলংকা, সাউথ ইনডিয়াতে এ গাছটি দেখা যেতো। ১৯১৯ সালে বিখ্যাত বৃটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী ডাবলিউ রক্সবার্গ এ প্রজাতিটি প্রথমবারের মতো বৈজ্ঞানিক উপায়ে তালিকাভুক্ত করেন।
এর আগ পর্যন্ত প্রজাতিটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের জগতে অনাবিষ্কৃত ছিল। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এই টালি পাম বৃক্ষটিকে শনাক্ত করেন বিশ্বখ্যাত প্রয়াত উদ্ভিদবিদ, ঢাকা ইউনিভার্সিটির উদ্ভিদবিজ্ঞানের শিক্ষক প্রফেসর ড. আবদুস সালাম। গত শতাব্দীর ৫০ দশকে তিনি এ গাছটি প্রথম দেখতে পান।
কিন্তু গাছটি কোন প্রজাতির তা তিনি শনাক্ত করতে পারেননি। তবে এটি যে বিরল ও দুর্লভ প্রজাতির গাছ, তা তিনি বুঝতে পারেন এবং কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন গাছটি যেন না কেটে ফেলা হয়। মূলত তার একক প্রচেষ্টার ফলেই গাছটিকে প্রোভিসির বাসভবনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কিছুদিন আগ পর্যন্ত এ প্রজাতিটির আরেকটি গাছ ছিল পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে। এ গাছের ফুল দেখতে খেজুরের ছড়ার মতো। সেখানে যখন ফুল ফোটে তখন গ্রামের মানুষ ধারণা করলো এটি ভূতপ্রেতের কাজ।
ড. শ্যামল কুমার বসু নামে বিখ্যাত এক পাম বিশেষজ্ঞ এ খবর শুনে প্রচ- কৌতূহল বোধ করেন এবং গাছটি দেখতে সেই গ্রামে যান।
তিনি অপার বিস্ময়ে লক্ষ করেন, গ্রামবাসী যাকে তাল গাছ বা খেজুর গাছ বলে ধারণা করছে সেটি আসলে একটি টালি পাম গাছ। ড. বসু এ গাছটি শনাক্ত করার আগ পর্যন্ত ধারণা করা হতো, প্রজাতিটি পৃথিবী থেকে চিরবিলীন হয়ে গেছে।
তিনি গ্রামবাসীকে প্রকৃত বিষয় খুলে বলে অনুরোধ জানান, যাতে গাছটিকে রৰা করা হয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই গ্রামবাসী গ্রাম থেকে ‘ভূত তাড়ানোর উদ্দেশ্যে’ গাছটি কেটে ফেলে।
এ ঘটনা ১৯৭৯ সালের। এরপরই বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা জন্মে, এ প্রজাতিটি হারিয়ে গেছে বিশ্ব থেকে। ২০০১ সালে সেই শ্যামল বসু বেড়াতে আসেন বাংলাদেশে এবং সৌভাগ্যক্রমে টালি পাম গাছটির সংস্পর্শে আসেন। তিনি জানালেন, এটিই এ প্রজাতিটির পৃথিবীর একমাত্র গাছ। এরপর এ দেশের উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করে জানতে পারেন তার কথা সর্বাংশে সঠিক। বর্তমানে গাছটিকে একটি কংকৃটের দেয়ালের মাধ্যমে ঘিরে রাখা হয়েছে। এটিকে রক্ষা করার জন্য চলছে ব্যাপক প্রচেষ্টা। রাখা হয়েছে একজন মালি, যিনি গাছটি দেখাশোনা করেন।
ইউনিভার্সিটির প্রোভিসি প্রফেসর আ ফ ম ইউসুফ হায়দার বলেন, তিনিও উন্মুখ হয়ে আছেন কখন গাছটি ফুল দেয়।
সূত্র: দৈনিক যায়যায়দিন, ১৮ এপ্রিল ২০০৭  

 

এলাচ December 15, 2009

Filed under: এলাচ,ভেষজ,শস্য — rezowan @ 4:11 pm
এলাচ ফুল
এলাচি এক প্রকার মসলা জাতীয় সুগন্ধি ভেষজ গাছ। এলাচ শুধু রান্নার স্বাদই বাড়ায় না৷ পানের স্বাদও বাড়ায়৷ তাছাড়া এলাচের অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে৷ যা আমাদের শরীরে নানা সমস্যা দূর করে৷ চলুন এলাচ দু রকমের হয়৷ বড় এলাচ ও ছোট এলাচ৷ বড় আর ছোট দুই প্রকারের এলাচই শারীরিক নানা সমস্যা দূর করে৷ এলাচ খেলে কি লাভ হবে তা জেনে নিই৷

* চোখ জ্বালা: চোখ জ্বালা হলে এলাচের দানার সঙ্গে সম পরিমাণ চিনি মিশিয়ে পিষে ঐ গুড়োটা খান উপকার পাবেন৷
* প্রস্রাবে দোষ: যদি আপনর ঠিকমত প্রস্রাব না হয় তাহলে এলাচ গুড়োর সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান সুফল পাবেন৷
* বমি কমায় : যদি অনরবত বমি হয় তাহলে এলাচের চোকলা পুড়িয়ে ঐ ছাইটা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান উপকার পাবেন৷
* কৌষ্ঠকাঠিন্য ও জ্বর কমায়: এলাচ, বেল, দুধ জলের মধ্যে মিশিয়ে ভাল করে গরম করুন৷ দুধটা গরম করতে করতে যখন অর্ধেক হয়ে যাবে৷ তখন গ্যাস বন্ধ করুন৷ ঐ দুধটা উপকার পাবেন৷ কৌষ্ঠকাঠিন্য কমবে৷ জ্বরও সেরে যাবে৷
এছাড়া এলাচ হিং এর সঙ্গে মিশিয়ে ওর মধ্যে সন্ধক নুন এর জল, এরেন্ডীর তেলের সঙ্গে মিশিয়ে যন্ত্রনার স্থানে লাগান৷ ব্যথা কমে যাবে৷

অন্যান্য স্থানীয় নাম-
বাংলা: এলাচি,
ইংরেজী: Cardamom, Malabar cardamom, Ceylon cardamom

বৈজ্ঞানিক নামঃ Elettaria cardamomum
পরিবারঃ Zingiberaceae (Ginger family)
বৈজ্ঞানিক শ্রেনী বিন্যাস এইভাবে -
Scientific classification
Kingdom: Plantae
(unranked): Angiosperms
(unranked): Monocots
(unranked): Commelinids
Order: Zingiberales
Family: Zingiberaceae
Genus: Elettaria Maton
Species: E. cardamomum
Binomial name :Elettaria cardamomum (L.) Maton

 

নিল December 15, 2009

Filed under: নীল,ভেষজ,শস্য — rezowan @ 3:15 pm

লিখেছেন : রাজামশাই

পুরাকালে মিশর, গ্রীস ও রোমের লোকেরাও নীলের কথা জানতো। মিশরের ১৮তম রাজবংশের মমিগুলি নীলরং এর কাগজে মোড়া থাকতো।


বাংলা ভূখন্ডে ইন্ডিগোফেরা এর ১৫ প্রজাতির গাছ জন্মে। তার মধ্যে indigofera tinctoria নীল রং এর চাষ করা হতো ভারতে। নীর পানিদে দ্রব্য গুকোসাইড নামক রাসায়নিক হিসাবে থাকে।
এর বাংলা নামঃ নীল
অন্যান্য স্থানীয় নামঃ নিলিনী, রঞ্জনী, গ্রামিনিয়া, কালোকেশী, নীলপুষ্প, মধুপত্রিকা।
বৈজ্ঞানিক নামঃ indigofera tinctoria পরিবারঃ Fabaceae
বৈজ্ঞানিক বিভাজনঃ
Kingdom: Plantae
Division: Magnoliophyta
Class: Magnoliopsida
Order: Fabales
Family: Fabaceae
Subfamily: Faboideae
Tribe: Indigofereae
Genus: Indigofera
Species: I. tinctoria
Binomial name: Indigofera tinctoria L.
নীল রং তৈরীর পদ্ধতি নিম্নরূপ – গাছ কেটে বড় কড়াইতে পানির মধ্যে প্রায় ১২ ঘন্টা ডুবিয়ে রাখলে তা থেকে সবুজ রং এর নির্যাস রের হয়। এরপর এই নির্যাস নতুন পাত্রে ঢেলে এই দ্রবনকে কাঠি দিয়ে অনেক্ষন নাড়তে হয় যাতে নী বাতাসের অক্সিজেন এর সংস্পর্শে আসে। এর ফলে অদ্রাব্য নীল এর তলানী নীচে জমা হয় এবং পড়ে তা পৃথক করে শুকিয়ে টুকরো টুকরো করে কাটা হয়। ইন্ডিগোটিন ছাড়া তাতে অন্যান্য পদার্থ থাকে তার মধ্যে ইন্ডিরুবাইনম ইন্ডিগো গ্রীন ও ইন্ডিগো ব্রাউন।

এই গাছের ভেষজগুনও বিদ্যমান। প্রাচীন ভারতে অয়ুর্বেদ শাস্ত্রে নীলে আছে প্রশস্তি। আধুনিক কবিরাজি চিকিৎসায় নীলে শিকড় ও পাতার নানা অসুখে ব্যবহৃত হয়। পাতার রস মৃগীরোগীর জন্য উপকারী।

এই উপমহাদেশের মাটি নীল চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী হওয়ায় বৃটিশ নীল করেরা বিপুল পুঁজি বিনিয়োগ করে নীলচাষে। নদীয়া, যশোর, বগুড়া, রংপুর প্রভৃতি জেলায় নীলচাষ ব্যাপক ভাবে করা হতো। উনিশ শতকের শেষের দিকে নীলচাষ অর্থনৈতিক ভাবে লাভজনক না হওয়ায় কৃষকরা ধান ও পাট চাষের দিকে ঝুকে পড়ে। বৃটিশ নীলকরেরা অত্যাচার আর নিপীরনের মাধম্যে নীলচাষে বাধ্য করলে ১৮৫৯-৬০ সালে নীলচাষীরা এর বিরুদ্ধে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তুলে। এর পরে বাংলায় নীল চাষ ক্রমে বিলুপ্ত হয়।
 

নেপিয়ার ঘাস December 1, 2009

Filed under: ঘাস,ভেষজ,শস্য — rezowan @ 8:20 pm
বাংলাদেশে বেশ দ্রুত নেপিয়ার ঘাসের বিস্তার ঘটছে। পশুখাদ্য হিসেবে এই ঘাসের পুষ্টিমান খুবই উন্নতমানের। তাই বাংলাদেশ সরকার বিদেশ থেকে এই ঘাসের বীজ আমদানি করে দেশের পশুপালকদের মধ্যে বিতরণ করেছে। তাদেরকে বিভিন্নরকম উব্ধুদ্ধকরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ঘাসের উপকারীতা ও প্রয়োজনীয়তা বোঝানো হয়েছে। কিন্তু এর ফলে বাংলাদেশের পরিবেশের উপর কেমন প্রভাব পড়বে তা পরিষ্কার নয়। আপাতভাবে ধারণা করা হয় যে বাংলাদেশের প্রকৃতিতে এই ঘাসের তেমন কোন খারাপ প্রভাব নেই।
 

বাঁশ December 1, 2009

Filed under: বাঁশ,ভেষজ,শস্য — rezowan @ 8:05 pm

বাঁশ যা ইংরেজীতে Bamboo নামে পরিচিত। কাষ্ঠল চিরহরিৎ উদ্ভিদ বাঁশ আসলে ঘাস পরিবারের সদস্য। ঘাস পরিবারের এরা বৃহত্তম সদস্য। বাঁশ গাছ সাধারণত একত্রে গুচ্ছ হিসেবে জন্মায়। এক একটি গুচ্ছে ১০-৭০/৮০ টি বাঁশ গাছ একত্রে দেখা যায়। এসব গুচ্ছকে বাঁশ ঝাড় বলে।

মুলিবাঁশের ফল

এর পাতা পান্ডা, হাতি, ও কিছু প্রজাতির ইদুরের খাদ্য।বাঁশের ফুল খেলে ইঁদুরের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ে ।

বাঁশের পাতা
বাঁশের ফল
সেপ্টেম্বরের ১৮ তারিখ “বিশ্ব বাঁশ দিবস”  হিসেবে পালন করা হয়।
চীনে বাঁশ সমাদ্রিত তার স্থায়িত্বের কারণে। সেখানে এর সবচে বেশি ব্যবহার দেখা যায় ঘরের মেঝে তৈরির কাজে। বাঁশ  দিয়ে খালই, টুকরি, পলো, ধামা ইত্যাদি জিনিসপত্র তৈরী করা যায়। এছাড়াও বাঁশের আরো  গুণ আছে।
১. ফেব্রিকস: পরিবেশবান্ধব বস্ত্রশিল্পের বিপ্লব শুরুর পেছনে মুখ্য ভূমিকায় ছিল বাঁশ। এর উৎপাদন প্রক্রিয়া দ্রুত ও খরচ কম। সবচে বড় কথা হলো বাঁশের চাষে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন নেই। তাই এর ফেব্রিকস নিরাপদ। এর ফেব্রিকস অনেকটা সিল্কের মতোই। বাঁশ দিয়ে পোশাক, তোয়ালে থেকে ডায়াপারও তৈরি হচ্ছে এখন।
২. ত্বকের যত্নে: বিউটি কোম্পানিগুলোও এখন বাঁশের পেছনে লেগেছে। বাঁশের উচ্চমানের সিলিকা শ্যাম্পু ও ময়েশচারাইজার তৈরির একটি বড় উপাদান।
 
৩. বাঁশের বাইক:ক্যালিফোর্নিয়ার একজন ডিজাইনার সম্প্রতি তৈরি করেছেন বাঁশের ফ্রেমের তৈরি বাইক। সার্ফিংয়েও ব্যবহৃত হচ্ছে বাঁশের বোর্ড।
৪. প্লাগ-এন্ড-প্লে: প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আসুস ইতোমধ্যেই এনেছে বাঁশের তৈরি ল্যাপটপ কেস।
**********—–**********-_-_-_-_-_**************
প্রধানত রাঙ্গামাটির পাহাড়ি মানুষরা কচি বাঁশ দিয়ে নানা ধরনের তরকারি রান্না করে। এটি দু’ভাবে রান্না করা হয়- একভাগে পুঁইশাকের সাথে সিদ্ধ করে তরকারি, আর আরেকভাগে ভাজি।
 পুঁই শাকের সাথে কচি বাঁশের তরকারি
কচি বাঁশের ভাজি
শক্তসামর্থ বাঁশের খোলের ভেতর শূকরের মাংস বা  মাছ ভরে সেখানে তেল-মশলা দিয়ে বাঁশটিকে পুড়িয়ে বা ঝলসীয়ে আদিবাসিরা রান্না করে যা স্থাণীয় ভাষায় ক্যাবাং নামে পরিচিত।
ক্যাবাং- বাঁশের ভিতরে রান্না করা কাঁচকি মাছ
নিচে একটা বাশের একটি রেসিপি দেয়া হল।
বাঁশ কুড়োর দাবা কাবাব:
যা যা লাগবে

বাঁশ কুড়ো কুচি আধা কাপ (কচি বাঁশের নরম অংশ), পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ টেবিল চামচ, কর্নফাওয়ার পরিমাণমতো, পুদিনাপাতা ১ কাপ কুচি করা, মুরগির কিমা ১ কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা আধা চা চামচ, জিরা টেলে গুঁড়া ১ চা চামচ, মরিচ কুচি ৪টি, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, কাজুবাদাম বাটা ১ চা চামচ, চিনি আধা চা চামচ, টেস্টিং সল্ট আধা চা চামচ, কিসমিস ২ টেবিল চামচ।
প্রস্তুত প্রণালী
প্রথম পর্যায়
বাঁশ কুড়ো কুচি আধা সেদ্ধ করে সব উপকরণ দিয়ে মেখে মিহি করে ব্লেন্ড করুন। এবার ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, কিসমিস বেরেস্তা দিয়ে মেখে গোল করে বা কাটলেটের শেপে ভাজুন।
দ্বিতীয় পর্যায়
২ কাপ ময়দা, ২ টেবিল চামচ কর্নফাওয়ার, একটা ডিম ও সামান্য লবণ দিয়ে মাখুন। কিছু খামি নিয়ে লাল শাকের রস দিয়ে মাখুন। এবার সাদাখামি ও লাল খামি বেলে চিকন করে কেটে দাবার ডিজাইন করে কাবাবের উপর সেট করে আবার হালকা করে ভাজুন। সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

নানা ধরনের বাশ পাওয়া যায়__ মুলি বাঁশ, তল্লা বাঁশ, হল্লা বাঁশ, বরাক বাঁশ, উলট বাঁশ, জিগজ্যাগ বাঁশ (চাইনিজ বাঁশ), আইক্কা(গিঁট)অলা বাঁশ, আইক্কাছাড়া বাঁশ, তুলা বাঁশ, খাড়া বাঁশ, নাড়া বাঁশ…….ইত্যাদি।

 

গম November 27, 2009

Filed under: গম,শস্য — rezowan @ 5:33 pm

বাংলাদেশে খাদ্য ফসল হিসেবে গম দ্বিতীয় শীর্ষস্হানে রয়েছে। গমের চাষ সহজ, সেচ কম দিলেও চলে এবং রোগ ও পোকার আক্রমণের তেমন সমস্যা নেই বলে বাংলাদেশে গম চাষ এতো বেশী জনপ্রিয় হয়েছে। গমের ইংরেজী নাম Wheat এবং বৈজ্ঞানিক নাম Triticum aestivum.
যে সব জায়গায় বেশী পরিমাণে গম চাষ হয়
বাংলাদেশের সব জায়গায় গম চাষ হয়, তবে উল্লেখযোগ্য জেলাগুলো হলো দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, যশোর, জামালপুর, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, ভোলা, বরিশাল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা।

ভাল ফলনের জন্য নতুন উদ্ভাবিত জাত নির্বাচন করা উচিত। উপযুক্ত সময়ে বপনের ক্ষেত্রে নীচে উল্লেখিত জাতগুলো ভাল -
বিজয়
প্রদীপ
শতাব্দী
সুফী
সৌরভ।
দেরীতে বপনের জন্য সুফী ও সৌরভ জাতদু’টি ভাল। অতি সম্প্রতি যে জাতগুলি (প্রদীপ, বিজয় ও সুফী) বাজারে এসেছে সেগুলো বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধী ও তাপ সহ্য করার ক্ষমতা রাখে।
ভাল জাতের বশিষ্ট্যঃ
উচ্চ ফলনশীল;
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন;
অধিক তাপ সহ্য করতে পারে;
শীষের সংখ্যা বেশি;
প্রতি শীষে পুষ্ট দানার সংখ্যা বেশি।
নীচে ভাল জাতের গমের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. শতাব্দী (বারি গম ২১)
গম গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট শতাব্দী (বারি গম ২১) নামের একটি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত আবিষ্কার করে। এ জাতটি ২০০০ সালে বাজারে আসে। আমন ধান কাটার পর দেরিতে বপনের জন্যও জাতটি উপযোগী। এটি বাংলাদেশের সকল অঞ্চলে চাষাবাদ করা যায়।
বৈশিষ্ট্য
১. গাছের উচ্চতা ৩ থেকে ৩.২৮ ফুট।
২. কুশির সংখ্যা ৫ থেকে ৬টি।
৩. পাতার রং হালকা সবুজ।
৪. শীষ বের হতে ৬৫ থেকে ৬৮ দিন লাগে।
৫. প্রতি শীষে দানার সংখ্যা ৪০ থেকে ৪৫টি।
৬. দানার রং সাদা ও আকারে বড়।
৭. হাজার দানার ওজন ৪৬ থেকে ৪৮ গ্রাম।
৮. ফসল বোনা থেকে পাকা পর্যন্ত ১০৫ থেকে ১১২ দিন সময় লাগে।
৯. জাতটি “পাতার দাগ রোগ” সহনশীল এবং “মরিচা রোগ” প্রতিরোধী।
১০. উপযুক্ত পরিবেশে একরপ্রতি ফলন ১৪৫০ থেকে ২০০০ কেজি।
১১. অধিক তাপ সহ্য করতে পারে।


২. সৌরভ (বারি গম ১৯)
সৌরভ একটি উচ্চ ফলনশীল জাত। জাতটি ১৯৯৮ সালে অনুমোদন পায়। দেশের সকল অঞ্চলে এ জাতটি উপযুক্ত সময় ও দেরিতে বপনের ক্ষেত্রে উপযোগী।
বৈশিষ্ট্য
১. গাছের উচ্চতা ৩ থেকে ৩.২৮ ফুট।
২. কুশির সংখ্যা ৫ থেকে ৬টি।
৩. পাতা চওড়া, হেলানো এবং গাঢ় সবুজ।
৪. কাণ্ড শক্ত এবং ঝড় বৃষ্টিতে সহজে হেলে পড়ে না।
৫. প্রতি শীষে দানার সংখ্যা ৪২ থেকে ৪৮টি।
৬. দানার রং সাদা এবং আকারে মাঝারি থেকে বড়।
৭. হাজার দানার ওজন ৪০ থেকে ৪৫ গ্রাম।
৮. শীষ বের হতে ৬০ থেকে ৬৭ দিন সময় লাগে।
৯. জাতটি পাতার দাগ রোগ সহনশীল এবং মরিচা রোগ প্রতিরোধী।
১০. বোনা থেকে পাকা পর্যন্ত ১০২ থেকে ১১০ দিন সময় লাগে।
১১. উপযুক্ত পরিবেশে একরপ্রতি ফলন ১৪০০ থেকে ১৮৫০ কেজি।
১২. অধিক তাপ সহ্য করতে পারে।


৩. বারি গম-২২ (সুফী)
‘রি গম-২২’ (সুফী) জাতটি বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রে ও মাঠ পর্যায়ে ফলন পরীক্ষায় ভাল বলে প্রমাণিত হয়। এ জাতটি ২০০৫ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ‘বারি গম-২২’ (সুফী) নামে অনুমোদন লাভ করে। এ জাতটি উপযুক্ত সময় ও দেরিতে বপনের ক্ষেত্রে উপযোগী।
বৈশিষ্ট্য
১. চার পাঁচটি কুশি বিশিষ্ট গাছের উচ্চতা ৩ থেকে ৩.৩৫ ফুট।
২. পাতা চওড়া ও গাঢ় সবুজ।
৩. শীষ বের হতে ৫৮ থেকে ৬২ দিন সময় লাগে।
৪. বোনা থেকে পাকা পর্যন্ত ১০০ থেকে ১১০ দিন সময় লাগে।
৫. শীষ লম্বা এবং প্রতি শীষে দানার সংখ্যা ৫০ থেকে ৫৫টি।
৬. দানার রং সাদা, চকচকে এবং আকারে ছোট।
৭. জাতটি “পাতার দাগ রোগ” সহনশীল এবং “মরিচা রোগ” প্রতিরোধী।
৮. উপযুক্ত পরিবেশে একরপ্রতি ফলন ১৪৫০ থেকে ১৯৫০ কেজি।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: ‘বারি গম-২২’ (সুফী) জাতটি অধিক তাপ সহ্য করতে পারে ও চিটা প্রতিরোধী। এজাত থেকে উৎপন্ন আটায় শক্তিশালী গ্লুটেন নামক উপাদান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান থাকায় জাতটি পাউরুটি তৈরির জন্য খুবই উপযোগী। জাতটি ডিসেম্বর মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত বপন করা চলে এবং দেরিতে বপন করলেও দানার আকার প্রায় স্বাভাবিক থাকে।


৪. বারি গম-২৩ (বিজয়)
গম গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘বারি গম-২৩’ (বিজয়) নামের একটি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত আবিষ্কার করে। বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রে ও মাঠ পর্যায়ে ফলন পরীক্ষায় জাতটি ভাল বলে প্রমাণিত হয়। এ জাতটি ২০০৫ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ‘বারি গম-২৩’ (বিজয়) নামে অনুমোদন লাভ করে।
বৈশিষ্ট্য
১. চার পাঁচটি কুশি বিশিষ্ট গাছের উচ্চতা প্রায় ৩ থেকে ৩.৫ ফুট।
২. পাতা চওড়া ও হালকা সবুজ।
৩. শীষ বের হতে ৬০ থেকে ৬৫ দিন সময় লাগে।
৪. বোনা থেকে পাকা পর্যন্ত ১০৩ থেকে ১১২ দিন সময় লাগে।
৫. শীষ লম্বা এবং প্রতি শীষে দানার সংখ্যা ৩৫ থেকে ৪০টি।
৬. দানার রং সাদা, চকচকে এবং আকারে বড়।
৭. জাতটি “পাতার দাগ রোগ” সহনশীল এবং “মরিচা রোগ” প্রতিরোধী।
৮. উপযুক্ত পরিবেশে একর প্রতি ফলন ১৭৫০ থেকে ২০০০ কেজি।
৯. জাতটি অধিক তাপ সহ্য করতে পারে। আমন ধান কাটার পর ডিসেম্বর মাসের ১৫তারিখ পর্যন্ত এ জাতটি বপন উপযোগী।

৫. বারি গম-২৪ (প্রদীপ)
গম গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ‘বারি গম-২৪’ (প্রদীপ) নামের একটি উচ্চ ফলনশীল গমের জাত আবিষ্কার করে। এ জাতটি ২০০৫ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ‘বারি গম-২৪’ (প্রদীপ) নামে অনুমোদন লাভ করে। বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্রে ও মাঠ পর্যায়ে ফলন পরীক্ষায় জাতটি ভাল বলে প্রমাণিত হয়।
বৈশিষ্ট্য
১. চার পাঁচটি কুশি বিশিষ্ট গাছের উচ্চতা প্রায় ৩ থেকে ৩.২৮ ফুট।
২. পাতা চওড়া ও গাঢ় সবুজ।
৩. শীষ বের হতে ৬৪ থেকে ৬৬ দিন সময় লাগে।
৪. বোনা থেকে পাকা পর্যন্ত ১০২ থেকে ১১০ দিন সময় লাগে।
৫. শীষ লম্বা এবং প্রতি শীষে দানার সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫৫টি।
৬. দানার রং সাদা, চকচকে এবং আকারে বড়।
৭. জাতটি “পাতার দাগ রোগ” সহনশীল এবং “মরিচা রোগ” প্রতিরোধী।
৮. জাতটি উপযুক্ত পরিবেশে একর প্রতি ফলন ১৪০০ থেকে ২০৫০ কেজি এবং দেরিতে বপনে জাতটি কাঞ্চনের চেয়ে শতকরা ১০ থেকে ২৫ ভাগ ফলন বেশি দেয়।
৯. অধিক তাপ সহ্য করতে পারে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য: আমন ধান কাটার পর দেরিতে বপনের জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী। এজাত থেকে উৎপন্ন আটায় শক্তিশালী গ্লুটেন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান থাকায় জাতটি পাউরুটি তৈরির জন্য খুবই উপযোগী। জাতটি ডিসেম্বর মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বপন করা চলে এবং দেরিতে বপন করলেও দানার আকার প্রায় স্বাভাবিক থাকে।

পুষ্টিমাণ

(প্রতি ১০০ গ্রামে)

উপাদান গম চাউল চাউলের সাথে তুলনা
খাদ্যবল (কিলোক্যালরী) ৩৬০ ৩৬০ +১৪
কার্বোহাইড্রেট
(গ্রাম)
৬৯.৬০ ৭৯.২০ -৯.৬০
প্রোটিন (গ্রাম) ১২.০০ ৬.৪০ +৫.৬০
চর্বি (গ্রাম) ১.৭২ ০.৪০ +১.৩২
ফাইবার বা আঁশ (গ্রাম) ১.৯২ ০.২০ +১.৭২
খনিজ পদার্থ (গ্রাম) ২৭.২০ ০.৭২ +২৬.৪৮
ক্যালসিয়াম (মিলিগ্রাম) ৪৮.০০ ৯.২০ +৩৮.৮০
ফসফরাস (মিলিগ্রাম) ৪২৬.০০ ১৫৪.০০ +২৭২.০০
আয়রন (মিলিগ্রাম) ৩.২০ ৩.২০ সমান
ভিটামিন-এ (মাইক্রোগ্রাম) ২৯.২০ +২৯.২০
থায়ামিন (মিলিগ্রাম) ০.৪৯ ০.২০ +০.২৯
রিবোফ্লোভিন (মিলিগ্রাম) ০.২৯ ০.২০ +০.০৯
নিয়াসিন (মিলিগ্রাম) ৪.৪০ ৪.০০ +০.৪০

সুতরাং উপরোক্ত বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, চাষ-সুবিধা, পরিবেশ রক্ষা
ও পুষ্টিমাণ প্রভৃতি বিবেচনায় গম চাষ বোরো ধান চাষ অপেক্ষা অধিক লাভজনক।

 

 

চিনা November 26, 2009

Filed under: চিনা,শস্য — rezowan @ 11:39 pm

চিনা Gramineae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এর দানা খুবই ছোট। ধানে বিক্লপ হিসাবে আমাদের দেশে কোন কোন অঞ্চলে এর কিছু চাষাবাদ হয়।

ইংরেজি নাম Proso millet এবং বৈজ্ঞানিক নাম Panicum miliaceum।
 

কাউন November 26, 2009

Filed under: কাউন,শস্য — rezowan @ 11:32 pm

কাউন Gramineae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এর দানা অতি ক্ষুদ্র। বাংলাদেশের কোন কোন অঞ্চলে এটি মিশ্র ফসল হিসাবে গ্রীষ্মকালে উৎপাদিত হয়ে থাকে। এটি ধানে বিক্লপ হিসাবে স্থানীয়ভাবে ব্যবহৃত হয়।ইংরেজি নাম Foxtail millet এবং বৈজ্ঞানিক নাম Setaria italica ।

 

যব November 26, 2009

Filed under: যব,শস্য — rezowan @ 11:17 pm

যব Gramineae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত এবং বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এটি গম জাতীয় একটি খাদ্যশস্য। বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে শীতকালে সীমিত পরিমানে এর চাষাবাদ হয়। কিন্তু এটি প্রচুর পরিমানে উৎপাদন করা যায়।যবে ছাতু কুবই উপাদেয় খাদ্য।
ইংরেজি নাম Barley এবং বৈজ্ঞানিক নাম Hordeum vulgare।

 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.