খাজাঞ্চিখানা

ফজলে রেজওয়ান করিম

লালবক December 14, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 3:28 am

লিখেছেন : সোমা

নামটি আমার বলি – লালবক

ইংরেজিতে বলি – Purple heron
বৈজ্ঞানিক নাম – ardea purpurea
আমার যত নাম – লালবক, লালকাক
দেখতে আমি যেমন – আমি আকারে প্রায় ৭০সে.মি।বুক-পিঠ নীলচে বেগুনি রংয়ের পালকে ছাওয়া। লম্বা ধারালো হলুদ ঠোঁট ও পা,উরুর পালক গুলো লালচে বাদামী রংয়ের,লম্বা গলায় লালচে বাদামী আর নীলচে বেগুনির লম্বা ডোরা আছে।আমার চিকন মাথায় টিকিও দেখতে পাবে।
যেথায় আমার বাস-নিবাস – বাংলার সুন্দরবন এলাকায় আমায় বেশি দেখতে পাবে। জলার ধারে শিকারের আশায় চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকি,দেখা পেলেই টুক করে গলা বের করে ঠোঁট দিয়ে শিকারকে গেঁথে ফেলি।উঁচু গাছের ডালে শুকনো চিকন ডাল,ও খরকুটো দিয়ে বাসা বানাই।
আমার খাবার মেন্যু – মাছ,সাপ,ব্যাঙ,শামুক।প্রজনন সময় -জুন থেকে মার্চ। ডিম সংখ্যা-৩ থেকে ৫ টি

 

লাল মুনিয়া December 14, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 3:21 am
নামটি আমার বলি – লাল মুনিয়া

ইংরেজিতে বলি – Red Munia
বৈজ্ঞানিক নাম – estrilda amandava
দেখতে আমি যেমন – আপদামস্তক প্রায় ১০সে.মি লম্বা। আমার ঠোঁট,বুক,লেজ লাল রংয়ের,ডানা ও পিঠ কালচে বাদামী,লেজের আগা ও পেটের নিচ থেকে লেজের নিচের শেষ প্রান্ত পর্যন্তও তাই।চোখে লাল বৃত্তের মাঝখানে কালো ফোঁটা,পা গোলাপী রংয়ের।আমার শরীরের পালকে ছোট ছোট সাদা ছিট ছিট দাগ আছে। প্রজনন সময়ে পুরুষ পাখি দেখতে খুব সুন্দর হয়।মেয়ে পাখির চাঁদি,পিঠ ও ডানার পালক এবং লেজ গাঢ় বাদামী আর ঘাড়,গলা, বুক হালকা বাদামী,লেজের গোড়ার পালক লাল বর্ণের হয়।
যেথায় আমার বাস-নিবাস – তোমাদের ভারতীয় উপমহাদেশের পাখি আমি,খুব সহজে পোষও মানি। জলাপূর্ণ জঙ্গলা ঝোপে বা ঘাসবনে আমার দেখা মেলে,নরম শুকনো ঘাস দিয়ে গোলাকার বাসা বানিয়ে থাকি।
আমার খাবার মেন্যু – নানান রকম শস্যদানা।
(প্রজনন সময় – জুন থেকে জুলাই। ডিম সংখ্যা – ৪/৭ টি।)

মেয়ে ও ছেলে লাল মুনিয়া

মেয়ে মুনিয়া
 

ধুপিনিবক December 1, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 8:41 pm
নামটি আমার বলি – ধুপিনিবক

ইংরেজিতে বলি – Grey Heron
বৈজ্ঞানিক নাম – Ardea cinerea
আমার যত নাম – ধুপনিবক ,ধবলবক,খাইরাবক,পিডালিবক, অঞ্জন,সাদাকাক।
দেখতে আমি যেমন – আকারে প্রায় ৯৮সে.মি ল। গায়ের পালক ছাই রংয়ের, লম্বা হলুদ পা,আমার চোখের উপর ভ্র’র অংশটা কালো,সেখান থেকেই লম্বা এক জোড়া কালো টিকি বেড়িয়েছে,ডানার ভারী পালকগুলো কালো,লম্বা হলুদ তীক্ষ্ণ ঠোঁট।
যেথায় আমার বাস-নিবাস – ভারতীয় উপমহাদেশের জলায় আমি বিচরণ করি। অন্য বক ভায়াদের মত আমায় এতো দেখতে পাবে না।আমি একা চরে বেড়াতে পছন্দ করি।গাছের উঁচু ডালে খড়কুঁটো আর ছোট ডালপালা দিয়ে বাসা বাঁধি। তোমাদের দেশে শীতকালে আমায় বেশি দেখতে পাবে।
আমার খাবার মেন্যু – শামুক,মাছ,ব্যাঙ।
প্রজনন সময়- মার্চ থেকে জুলাই। ডিম সংখ্যা- ৩ থেকে ৬ টি।

 

জুলফি পানচিল November 26, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 5:19 pm

নামটি আমার বলি – জুলফি পানচিল
ইংরেজিতে বলি – Whiskered Tern
বৈজ্ঞানিক নাম – Chlidonias hybridus

দেখতে আমি যেমন – আকারে প্রায় ২৮সে.মি। গাল ও গলা সাদা কিন্তু মাথার উপর থেকে চোখ বরাবর হয়ে ঘাড় পর্যন্ত কালো,ধুসর সাদা রংয়ের শরীর, সিঁদুরে লাল ছোট পা আর ঠোঁট। ডানার বড় পালকগুলো কয়েকটা কালো রংয়ের হয়।
মজার ব্যাপার কী জানো, শীতকালে মাথা ও কপালের কালো রং ধিরে ধিরে হালকা হতে থাকে আর গায়ের রং হয়ে উঠে শুভ্র।

যেথায় আমার বাস-নিবাস – আমি মূলতো শীতের পাখি তবে শীত শেষে কেউ কেউ তোমাদের দেশে থেকেও যায়।জলাভূমি,নদীর চড় বা হাওর বাওরে আমার দেখা মিলে।
আমার খাবার মেন্যু – পোকা-মাকড়,কাঁকড়া,ছোট মাছ,ব্যাঙ আমার খুব প্রিয় খাবার,আমি উড়ন্ত অবস্থায় শিকার ধরতে পারি।

 

জিরিয়া November 25, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 11:05 pm

নামটি আমার বলি – জিরিয়া
ইংরেজিতে বলি – Little Plover, Little Ring Plover
বৈজ্ঞানিক নাম – Charadrius dubius
আমার যত নাম – ছোট জিরিয়া,ছোটনথ জিরিয়া

দেখতে আমি যেমন – আমি আকারে প্রায় ১৬সে.মি লম্বা। ঠোঁটের উপরের সামান্য অংশ সাদা,কপাল কালো,চাঁদি ধুসর বাদামী, চোখের পাতা হলুদ তার মাঝে কালো চোখ।গলা আর ঘাড় সাদা,ঠিক তার নিচ থেকে শুরু হয়েছে কালো মোটা বৃত্ত,বুক থেকে শুরু করে লেজের নিচ পর্যন্ত সাদা।কালো ঠোঁট,লম্বা সরু দুখানা কালচে হলুদ পা। পিঠ,ডানা আর লেজের উপরের অংশ ধুসর বাদামী।
যেথায় আমার বাস-নিবাস – আমি তোমাদের দেশে অতিথি হয়ে আসি,জলার ধারে দৌড়ে দৌড়ে চলি।শুকনো ডালপালা দিয়ে মাটিতেই বাসা বানাই।
আমার খাবার মেন্যু – কেঁচো,জলের পোকা।

 

মেটেপ্যাঁচা November 24, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 11:38 pm

নামটি আমার বলি – মেটেপ্যাঁচা
ইংরেজিতে বলি – Large-tailed Nightjar
বৈজ্ঞানিক নাম -Caprimulgus macrurus
আমার যত নাম – চরপ্যাঁচা, নলপিতানি দিনকানা, নলপিতানি রাতচরা,ল্যাঞ্জা রাতচরা

দেখতে আমি যেমন – আপদামস্তক প্রায়৩০সে.মি লম্বা।আমার গায়ের পালক অন্য প্যাঁচা ভায়াদের মতোই অদ্ভুত।কালো,বাদামী,হালকা বাদামীর ফুটি,লম্বা লেজ,ছোট্ট মাথা আর ছোট্ট এক জোড়া ঠোঁট,গোল কালো চোখ।নিজের পায়ে দাঁড়াই খুব কম সময়ই,গায়ের সাথে ডানা লেপ্টে পা গুটিয়ে বসে সারদিন ঝিমুই।

যেথায় আমার বাস-নিবাস – আমি অন্যসব প্যাঁচা ভায়াদের মতোই নিশাচর।শক্ত পাথুরে মাটি, নুড়ি মিশ্রিত বা মাটির শক্ত ঢ্যালা মিশ্রিত ভূমিতে শুকনো পাতা আর ডালপালা জড়ো করে বাসা বানাই।হালকা জঙ্গল বা পুরনো পরিত্যাক্ত বাড়ির আশেপাশে আমায় দেখতে পাবে। আমার গায়ের রং মাটির সাথে এতোটা মিলে যায় যে হঠাৎ করে কেউ আমার বাসা আর আমাকে ঠাহর করতে পারে না।
আমার খাবার মেন্যু – প্রধানত পোকা-মাকড়,ছোট সাপ।

 

সুন্দরবনের করমজল প্রজনন কেন্দ্র থেকে ১৮ কুমির নিখোঁজ November 24, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 2:45 pm

সুন্দরবনের করমজল বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের চৌবাচ্চায় রাখা লবণ পানির ১৮টি এক বছর বয়সী কুমির খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কুমির হারিয়ে যাওয়ার এই ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে করমজল বণ্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কুমির বিশেষজ্ঞ আব্দুর রব খুলনার দাকোপ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। ঘটনা তদন্তে এক সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দে আজ মঙ্গলবার সকালে জানান, গতকাল চৌবাচ্চার পানি পরিবর্তন করার সময় কুমির গণনা করা হলে ১৮টি লবণ পানির কুমির হারিয়ে যাবার ঘটনাটি কর্মরতরা টের পান। ঘটনার পর আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় কুমিরের খোঁজ করে না পেয়ে থানায় জিডি করা হয়। তিনি জানান, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক গোলাম কুদ্দুস ভুইঞাকে ঘটনা তদন্ত করে সাতদিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৩৩টি লবণ পানির এবং তিনটি স্বাদু পানির কুমির ছিল। এর আগে গত মে মাসে আইলার সময় এই কেন্দ্রে থাকা ৬১টি কুমির ভেসে যায়।

 

নীলকন্ঠি November 23, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 10:27 pm
লিখেছেন : সোমা

নামটি আমার বলি – নীলকন্ঠি

ইংরেজিতে বলি – Indian Roller
বৈজ্ঞানিক নাম – Coracias benghalensis
আমার যত নাম – নীলকন্ঠ,নীলকন্ঠি
দেখতে আমি যেমন – আকারে প্রায় ৩১সে.মি। আমার মেয়ে পাখি আর ছেলে পাখি দেখতে প্রায় একই রকম,বাদামী পিঠ,ডানায় গাঢ় নীল আর আকাশি নীলের খেলা ,লেজের দিকটাতেও তেমনি। মাথা,ঘাড়,গলা আর বুক আকাশনীল,চোখ,ঠোঁট কালো আর পা দু’খানা হালকা হলুদ।।
যেথায় আমার বাস-নিবাস – অগভীর বন আমার বসবাসের জন্য পছন্দ,,তোমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশেই আমার বিচরণ বেশি।
আমার খাবার মেন্যু – – প্রধানত পোকা-মাকড়।
যেভাবে আমি ডাকি – খাক … কাক…কাক।
প্রজনন সময় -মার্চ থেকে মে। ডিম সংখ্যা -৩-৪ টি।

 

উলি নেকড স্টর্ক পাখি কি বাংলায় ফিরেছে! November 20, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 4:12 am

বাংলাদেশে স্টর্ক গোত্রের পাখি মদনটাক। এ পাখি সুন্দরবনসহ দেশের বড় নদীগুলোর চড়ায় সীমিত সংখ্যায় দেখা যায়। স্টর্ক গোত্রের আরেক সদস্য এশিয়ান ওপেন বিল বা শামুকখোল পাখি। মাঝেমধ্যে শীতকালে এদের বাংলাদেশের বিলঝিলে দেখা যায়। কখনো কখনো দেখা যায় পেইন্টেড স্টর্কও। ব্যস, এই হলো বাংলাদেশে স্টর্ক গোত্রের পাখির হাল অবস্থা।
তবে বাংলাদেশের মতো বিলঝিলের দেশে এমন হওয়ার কথা নয়। যেমন—ব্ল্যাক নেকড স্টর্ক, হাড়গিলা বা অ্যাডজুট্যান্ট স্টর্ক, হোয়াইট স্টর্ক, উলি নেকড স্টর্ক একসময় এখানকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিল। এখন এদের খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। স্টর্ক সাধারণত অত্যন্ত বড় ও ভারী পাখি। প্রজাতিভেদে এক একটি পাখির ওজন চার থেকে সাত কেজি। বক বা সারসের তুলনায় এই পাখিগুলো অনেকটা নীরব-শান্ত। বাসা বাঁধে জলাশয়ের কাছাকাছি উঁচু গাছে। অনেক সময় বক, পানকৌড়ির মিশ্র দলে বাসা বাঁধে।
স্টর্ক-জাতীয় পাখি মাছ, গেঁড়ি গুগলী, ব্যাঙ, ইঁদুর, সাপসহ যা কিছু ঠোঁটের আওতায় আনতে পারে, সবই খেয়ে থাকে। শামুকখোল অনেক সময় চষা জমিতে শামুক খুঁজে বেড়ায়। গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশক থেকে ব্যাপক হারে গাছ কাটা হলে এই পাখিদের বাসা বানানোর জায়গার সংকট দেখা দেয়। সেই সঙ্গে জলাভূমি ভরাট করে কৃষিজমি বা আবাসন গড়ে তোলায় এদের খাদ্যসংকটও চরম আকার ধারণ করে। ফলে এই পাখিগুলো বাংলা ছেড়ে আশপাশের দেশে আশ্রয় নিয়েছে।
চল্লিশের দশকেই হাড়গিলা বাংলা থেকে হারিয়ে যেতে থাকে। এদের মধ্যে সবার আগে বাংলা ছেড়েছে হোয়াইট নেকড স্টর্ক, যার বর্তমান নাম উলি নেকড স্টর্ক। এ পাখিটি বাংলাদেশে শেষ দেখা গেছে ১৮৮৮ সালে। পাখিটি দাঁড়ালে ১০৬ সেন্টিমিটার উঁচু। সাধারণত ঘাসওয়ালা বিলঝিলে চরতে পছন্দ করে। তবে জঙ্গলের ধারের জলাভূমিই বেশি পছন্দের। পাখিটির পাখা দুটো কালচে, শরীরও নীলাভ কালচে। লেজ সাদা-কালোয় মেশানো, গলার রং সাদা, মাথা কালো। পা লালচে, ঠোঁট লালচে কালো। গলার পালকগুলো দেখলে মনে হয় উল দিয়ে বোনা। তাই এর নতুন নামকরণ উলি নেকড স্টর্ক।
সুখের খবর হলো—প্রায় ১২১ বছর পর সম্প্রতি একটি উলি নেকড স্টর্ক পাখিকে বাংলার আকাশে উড়তে দেখলেন একদল পাখিবিদ। পাখিবিদদের দলে ছিলেন ড. রোনাল্ড হালদার, ড. মনিরুল খান, সিরাজুল হোসেন, ড. হেলমুট, গারট্রুড, মার্টিন উইলিয়াম, সায়েম চৌধুরী, জমিরুদ্দিন ফয়সাল। সুন্দরবনের কটকায় ঘটেছিল ওই বিরল দর্শন।
তবে এ পাখি দেখাটা যেমন আশার, তেমনি নিরাশারও। কারণ বিক্ষিপ্ত দু-একটি পাখি প্রমাণ করে না যে এরা আবার এ দেশে স্থায়ী বাসিন্দা হয়েছে। তবে আগ্রহীরা হতাশ হবেন না। যাঁদের এখনো এই পাখি দেখার সৌভাগ্য হয়নি, তাঁরা কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে যেতে পারেন। সেখানে দু-তিনটি উলি নেকড স্টর্ক আছে দর্শনার্থীদের জন্য।

 

নিশিবক November 19, 2009

Filed under: Animal — rezowan @ 10:40 pm
নিশিবকের মাথা ,ঘার, পিঠ সুরমা রংয়ের হয়। কপালটা সাদা। কালো লম্বা তীক্ষ্ণ ঠোঁট,লম্বা হলুদ পা। গলা,বুক ও পেট সাদা। আর মাথায় সাদা রংয়ের লম্বা সুন্দর একটা টিকি আছে।

বাংলাদেশের সর্বত্রই দেখতে পাওয়া যায়। বাঁশঝাড় বা উঁচু গাছে বাসা বাঁধে। সাধারনত দিনের বেলায় বিশ্রাম করে আর সারারাত শিকার ধরে । ব্যাঙ,মাছ, ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, ছোট পাখি আর জলজ পোকা এদের প্রধান খাবার। এরা ৩-৮টি ডিম দেয় আবার কেউ কেউ বলে ৪-৬ টি আসলে দেশ আর পরিবেশের উপর ডিম সংখ্যা নির্ভর করে। প্রজনন সময় -এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর।
এর ইংরেজী নাম Night Heron আর
বৈজ্ঞানিক নাম – Nycticorax nycticorax
এরা লম্বায় ৬৪ সে.মি. আর ওজন হয় প্রায় ৮০০ গ্রাম। এদের কন্ঠ কাকের মত কর্কশ। বাংলাদেশ ছাড়াও southern Asia, Mexico, the southern United States, Central America, Africa ও the West Indies এ এদের দেখা যায়।

 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.